কবিতা
“আমি” এ আমি কেমন আমি নিজের পায়ে নিজেই আমি শিকল কেন বাঁধি? কেন মিছে হাসি আমি কেনই বা কাঁদি নিজের স্বত্ত্বা হত্যা করে সাজি পরের দাসী। এ কেমন অনুভুতি নিজেকে পর করে পরের পেছন ছুটি। রক্ত মাংসের দেহ ফেলে কেন পরের মনে রাখি আমি নিজের মনের চাবি। কাটে সকাল দুপুর সন্ধ্যা রাত তবু না পারি…
মন্ত্র আমি রাত্রির মাঝে জ্যোঁছনার খোজ করি হাওয়ার মন্ত্রে পাগল হয়ে গাঁয়ের পথ ধরি। দিনের বেলার সূর্যকে আমি হাসিয়ে মাতাল করি আকাশের নীল আভায় ফড়িং বেশে উড়ি। আমি তো স্মৃতির পাতায় কাঞ্চনজঙ্ঘার তরী আমি তো রজনীগন্ধায় মাতাল করা শর্বরী। আমি স্বাধীনতা, শত বিপ্লবের গহীন ডাক আমি তো ড্রেনের ধারে কামনার কন্ঠের কাক। অশ্রুজল আমি, তোমার…
হে মাতা বহিয়া বহিয়া তুমি মাতিয়েছ মোর ধারা কেন তবে আজ রুপটি তোমার হয়েছে ভীষণ কড়া। হৃদয়ের তরে দিয়েছিল তোরে আপন ভাবিয়া ঠাই কেন তব আজ করিছ শুধু রাক্ষসীর মত খাই খাই। সোনাজাদু মোর দিয়েছি তোরে ফেরানোর যতনে লাগি খেয়েছিস তুই মিটিয়েছিস ক্ষুধা হৃদয়টা করেছিস ভাগাভাগি। নির্ভয়ে তোকে দিয়েছিলাম যারে ফেরানোর তব লাগি রাক্ষসীর মত…
- « Previous
- ১
- ২