সালমা
অনুভূতির অনেক স্তর আছে। একটা স্তর অতিক্রম করার পর-ই কেবলমাত্র সেই স্তরের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জানা সম্ভব। অনুভূতির সেই স্তরের শেষ বিন্দু থেকে শুরু হয় চিন্তা। আর চিন্তার পথ ধরে সৃষ্টি হয় জ্ঞানের স্তর। সেই জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে মানুষের মন মানসিকতা। মন-মানসিকতা দ্বারা প্রভাবিত হয় ব্যক্তির আচার-ব্যবহার-কর্ম। কাজেই প্রতিটি মানুষের আছে নিজস্ব ব্যক্তিত্ব।
মহাকালের গর্ভে জন্মেছি অরণ্যের সবুজ নিয়ে, মেহেদিপাতার রঙ দিয়ে, অন্তরিক্ষের বক্ষে, আবেগের ছোঁয়ায় এঁকেছি প্রেমময় কারুকার্য। সময় নদীর গতি যদিও পুরাতন, বহে নিরন্তর, ধির-স্থির মহাকাল ধরে নেয় বেখেয়ালি মন- আলেয়ার বুকে করে আলিঙ্গন। ভ্রমরের পাকে আকড়ে ধরে, পরাগরেনু পরাগায়নের স্বপ্ন দেখে, নদী পূর্ণতা লভে জলধরের সান্নিধ্যে; কিছু পরাগরেনু ঝরে পরবে নদী পথ হারিয়ে- বাওর এর…
“আমি” এ আমি কেমন আমি নিজের পায়ে নিজেই আমি শিকল কেন বাঁধি? কেন মিছে হাসি আমি কেনই বা কাঁদি নিজের স্বত্ত্বা হত্যা করে সাজি পরের দাসী। এ কেমন অনুভুতি নিজেকে পর করে পরের পেছন ছুটি। রক্ত মাংসের দেহ ফেলে কেন পরের মনে রাখি আমি নিজের মনের চাবি। কাটে সকাল দুপুর সন্ধ্যা রাত তবু না পারি…