কবিতা
অনুভূতির অনেক স্তর আছে। একটা স্তর অতিক্রম করার পর-ই কেবলমাত্র সেই স্তরের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জানা সম্ভব। অনুভূতির সেই স্তরের শেষ বিন্দু থেকে শুরু হয় চিন্তা। আর চিন্তার পথ ধরে সৃষ্টি হয় জ্ঞানের স্তর। সেই জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে মানুষের মন মানসিকতা। মন-মানসিকতা দ্বারা প্রভাবিত হয় ব্যক্তির আচার-ব্যবহার-কর্ম। কাজেই প্রতিটি মানুষের আছে নিজস্ব ব্যক্তিত্ব।
দিনের শেষে কিছু গল্প কবিতা হয়ে যায় রাতের আধারে কিছু কবিতা গল্প হয়ে যায় জীবনের সায়াহ্ন বেলায় সমস্ত গল্প গুলো আর ইতিহাস জড়িয়ে উপন্যাস হয়ে বাঁচতে ইচ্ছে হয় অনন্তকাল – নিঃস্বঙ্গ বাস্তবতায় সপেদ দেয়ালের সাথে বলে যায় কথা দেয়ালের কথা দেয়ালে বুঝে মানুষের কথা মানুষে মনুষ্যত্বের তীব্র সংকটে যত্রতত্র মানবতা কাঁদে প্রাণের ভেতরে যবে প্রাণের…
রাত্রি শেষে রবির উদয় কান্না শেষে ; সুখের প্রলয় ! আত্মার সুখে হাসবে মানুষ খোদায়ী প্রেমে ; আত্মপ্রত্যয়ী রূখে ! প্রতিবাদ গুলি যেন মুক্তোঝরানো কানায় ভর্তি ; বিষবৃক্ষ উপড়ানো ! আপন আলোয় উঠবই জেগে ভীতিপ্রদ লোকালয় ; অন্তর্ভুবন ছিঁড়ে ! মানুষে মানুষে অবসানে চলমান বিভেদের কেতনবাহী রক্তিম মিছিলে ; গুঁঁচবে ব্যথা আর্তের ! গেয়ে যাবে…
রক্ত চুষে খাবো অনবরত শোকের গান গেয়ে যা তোরা রাতের আধারে নেমে আসি – তাণ্ডব চালাতে সে এক ভয়ংকর তাণ্ডব- কাওরে ছাড়িনা – মৃত মানব গুলো বুঝবেনা কি নারী কি পুরুষ এইসব ভাবতে গেলে রক্ত খাওয়া হবেনা রক্ত ছাড়া আমি বাঁচতে পারিনা———– তোরা রক্ত পিপাসু বলতে পারিস আমায় বলতে পারিস আমি বেহায়া বিরক্তিকর কিংবা নির্লজ্জ…
এই যে ঘটছে এতো অন্যায় অনাচার কুফরী ব্যবস্থায় তবুও তোমরা নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত আহা! বুঝ ফিরবে কবে তোমাদের?? এই যে বিষের ব্যথার। অন্যের ঘাড়ে দায়িত্ব চাপিয়ে ভালোই তো আয়েশে ব্যস্ত ! তোমরা কি ভেবে নিয়েছ তোমাদের লেবাস ই তোমাদের নিয়ে যাবে জান্নাতে ভুল জেনেছ ভুল বুঝেছ কুরআন খুলে দেখো সৎ কাজের আদেশ করা অসৎ কাজের…
যখন পৃথিবীর পানে তাকাই মনে হয় হাজার বছর বেচে থাকি যখন পৃথিবীর জালিম শাসকদের নিষ্পেষণে নিষ্পেষিত হতে দেখি আর্ত মানবতাকে অজান্তেই ডুকরে কেঁদে উঠি- নিভে যায় নিয়ন আলোতে জ্বলে উঠা স্বপ্নের বাতিঘর হাসি গুলো বিলীন হয়ে যায় মেঘলা আকাশের দেশে জেগে থাকি চিন্তিত নয়নে রাতভর – পৃথিবীর পথে পথে রক্তের নদী বয়ে চলে অবিরাম মনুষ্যত্ব…
টিয়ারগ্যাসে রাজপথ ঢেকে গেছে অন্ধকারে বন্দুকের গুলী ছুড়ে ওরা, কার বুক খালি করে? কিছু ব্যথাতুর মিছিল আভ্যন্তরীণ ব্যথা গুলো প্রকাশে অকষ্মাৎ আলোকিত সূর্য ঢেকে যায় মেঘের আড়ালে ওরা কার বুকে খঞ্জর চালিয়ে অনাবিল সুখ প্রত্যাশা করে? – দেশের ভিটা ভূমি বিকিয়ে দেয়া হয়েছে বিন্দেশী বেনিয়াদের হাতে? তাই যদি না হবে, তাহলে নিরপরাধি ছাত্র ভাইদের উপর…
পরাজিত সে আপনার কাছে আত্মবিস্মৃত কিছু ইতিহাস আছে তার ঝুলিতে তবুও সে পরাজিত আপন জনপদের অভিশপ্ত শাসকেদের হাতে ! সে প্রতিদিন ই ধর্ষিত হয় লোকালয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে চামড়া লোভী নর পিশাচদের আক্রমণাত্মক ভয়ংকর খেলায় সে কাঁদিতে চাহিয়াও বারংবার কান্নার ভান করে গোপনে অশ্রুপাত করে সে রাতের নিকষ কালো আধারে পৃথিবীর অধিপতি আল্লাহর কাছে মুক্তি কামি…
দ্বারগুলো আজ ক্রন্দণরত গহীন কবর পানে,ফিরে এস মোর জাদুর কাঠি সোনার শিকল বেয়ে।ফাগুণ আজ রঙহারা মোর তোমার হাসির লাগি,কলমের ঐ নিবটি তোমার কাঁদছে থাকি থাকি। আজানের মন্ত্রধ্বনি আমার কঙ্কর হয়ে আসে,জাদু রে আমার কোন ঘরেতে প্রদীপ হয়ে হাসে।চোখের পাতার পাপড়িগুলো খসছে ভিষণ রেগে,জলের সাথে মিশে গেছে তোমার করুণ ত্যাগে। ঐ যে সেদিন নরপিশাচের খাদ্যের জন্য…
মহাকালের গর্ভে জন্মেছি অরণ্যের সবুজ নিয়ে, মেহেদিপাতার রঙ দিয়ে, অন্তরিক্ষের বক্ষে, আবেগের ছোঁয়ায় এঁকেছি প্রেমময় কারুকার্য। সময় নদীর গতি যদিও পুরাতন, বহে নিরন্তর, ধির-স্থির মহাকাল ধরে নেয় বেখেয়ালি মন- আলেয়ার বুকে করে আলিঙ্গন। ভ্রমরের পাকে আকড়ে ধরে, পরাগরেনু পরাগায়নের স্বপ্ন দেখে, নদী পূর্ণতা লভে জলধরের সান্নিধ্যে; কিছু পরাগরেনু ঝরে পরবে নদী পথ হারিয়ে- বাওর এর…