শহীদের মা

সময়: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ

লেখক:

উৎস: নিজস্ব রচনা

টপিক: 

ট্যাগ: , ,

লেখক প্রোফাইল 

বড় করুন

ছোট করুন

দ্বারগুলো আজ ক্রন্দণরত গহীন কবর পানে,
ফিরে এস মোর জাদুর কাঠি সোনার শিকল বেয়ে।
ফাগুণ আজ রঙহারা মোর তোমার হাসির লাগি,
কলমের ঐ নিবটি তোমার কাঁদছে থাকি থাকি।
আজানের মন্ত্রধ্বনি আমার কঙ্কর হয়ে আসে,
জাদু রে আমার কোন ঘরেতে প্রদীপ হয়ে হাসে।
চোখের পাতার পাপড়িগুলো খসছে ভিষণ রেগে,
জলের সাথে মিশে গেছে তোমার করুণ ত্যাগে।
ঐ যে সেদিন নরপিশাচের খাদ্যের জন্য হলে বলি,
দিনের শেষের মন্ত্রটাকে করলে রাতের অঞ্জলি।
দিশেহারা নই আজিকে আমি, নই কোন পঞ্চভূত,
দিয়েছ মোরে কান্নার তরে সোনার তরীর স্বাগত।
রক্তমাখা হাড়গুলি সব জড়িয়ে আমি থাকি,
মাংসের লাগি শকুনিরা সব নিচ্ছে তোমার খাকি।
চামড়াটা তো রাখেনি তোমার সুন্দর ফোয়ারা ঘিরে,
জঞ্জালতার উর্দি পরিয়েছে পঙ্খীলতার ভিড়ে।
আমার বুকের তন্ত্রীগুলো ছিদ্র হয়ে হাসছে ভারি
তোমার ঐ শার্ট আমার গায়ে জড়ায়ে ধরি।
রক্তচক্ষু তাক করেছি তোমার শরীর পানে
ধ্বনির ঝুলি হারিয়ে ফেলেছি শোকের গহীন গানে।
নরখাদকেরা তুলছে ধ্বনি তোমার লাশের শানে,
আমার হাতের আঙুলখানী তোমায় শুধু টানে।
তোমার জন্য হু হু করে বারান্দার ঐ শীতল পাটি,
রক্তভেজা দেহ তোমার জড়িয়েছে তা তে মাটি।
শবদেহ তোর হাসছে কোলে ভুলিয়ে সকল ব্যাথা,
জাদু সোনা মোর হারিয়ে গেছে ভুলেছে সব ই কথা।
শহীদের তরে জায়গা করে, করেছ এ বুক ফাকা,
আমার ভাষার অ ক খ রয়েছে যেখায় মাখা।
রজনীগন্ধারা সুভাষ হারায় শোকের মত্তপ তলে,
বাহুদুটি মোর থর থর করে তোমায় দেখার পরে।
আয় আয় সোনা টি আমার কবরে রাখিয়া দেহ,
আত্মার লাগি করিব যতন পারিব না জানিতে কেহ,
হাজারো হৃদয়ের তরেতে ডাকি আয় হে কাছে,
আমি শহীদের মা ব্যাথাভরা কাধ যার পিছে।

একই বিভাগে আরও

রক্ত ঝরছে…

এই শহরে

রাত্রি শেষে…..

নিশ্চুপ রইবে আর কতকাল

শুনি আমি পৈশাচিক কলরব

ব্যথিতদের কবিতা

বাংলাদেশ

আপন সত্তা

“আমি”

মন্ত্র

আরও পড়ুন

আত্মজ্ঞানের ভূমিকা – ২

আত্মজ্ঞানের ভূমিকা – ১

Instant Writing Techniques 1

আল-কোরআনের অজানা রহস্য – ২

আল-কুরআন এর অজানা রহস্য – ১