অশ্লীলতা থেকে মুক্তি চাই

সময়: ০৪ আগস্ট ২০১৯, ১:২৫ অপরাহ্ণ

লেখক:

উৎস: স্বরচিত

টপিক: 

ট্যাগ: 

লেখক প্রোফাইল 

বড় করুন

ছোট করুন

অশ্লীলতা যখন যত্রতত্র সয়লাব হয়ে যায়, যখন নারী মানেই সৌন্দর্যের প্রতীক নারী মানেই উপভোগের বস্তু হিসেবে সমাজে রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়, তখন মানুষ নীতিনৈতিকতা ভুলে যায়। ভুলে যায় কে মা কে বোন কে কন্যা কে যুবতী কিংবা কে ছয় বৎসরের ফুটফুটে নিষ্পাপ কন্যা। দেখেন যখন একটি পরিবেশ সুন্দর এবং ভালো থাকবে তখন সেই ভালো পরিবেশে থেকে খারাপ মানুষ টাও একদিন ভালো হয়ে যায়। আর আমরা এখন এমন এক অসুস্থ নোংরা সমাজে বসবাস করতেছি যেখানে পাশ্চাত্ত্যদের থেকে ধার করা নানামুখী স্টাইলিশ ভোগবাদ কেন্দ্রিক জীবনধারার প্রচার প্রসার হয়। সমস্ত অশ্লীলতার প্রচার প্রসার হয়। নীতিনৈতিকতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রচার প্রসার হয়। আর প্রযুক্তির কল্যানে তো এখন শিশু কিশোর যুবক যুবতী সবার হাতের কাছেই অশ্লীলতার রসদ পাওয়া যায়। ইন্টারনেটে অশ্লিল সাইট গুলোকে দেদারছে খোলে দেওয়া হয়। এই অশ্লিলতার ভীড়ে সহস্র ধর্ষক তৈরি হবে মানুষ তৈরি হবেনা। আর এই সমাজ থেকেই আপনার আমার আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম বেড়ে উঠছে। যতোক্ষণ না আমরা আমাদের সৃষ্টিকর্তা তথা আল্লাহর বিধিবিধান কে পুরোপুরি অনুসরণ করবো ততোদিন আসলে এই অসুস্থ সমাজ থেকে মুক্তি নেই। দেখেন আল্লাহ আমাদের সৃষ্টিকর্তা তাই তিনি যেই বিধিবিধান আমাদের দেখিয়ে দিয়েছেন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিচালিত হওয়ার জন্য। সেগুলোই মূলত পারফেক্ট হবে। কারণ আল্লাহ ই ভালো জানেন তার বান্দার দুর্বলতা ও ফিতরাত কি। সুতরাং আল্লাহর দেয়া বিধানকে পরিত্যাগ করে যতোই আমরা সুশীল সমাজের সমাজপতিদের থেকে ধর্ষণের সমাধান নেইনা কেন সমাধানের কিছুই হবেনা। বরং ধর্ষক ও ধর্ষণের হার দিন দিন জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাবে। কমবেনা। যারা আসলে মানুষের বংশ পরম্পরা টিকিয়ে রাখার স্বাভাবিক যৌন চাহিদাকে অস্বাভাবিক উত্তেজিত করে সমাজ টাকে ধর্ষক ও ধর্ষণের কারখানায় পরিণত করতেছে তারাই আবার ধর্ষণের জন্য মানুষিকতা দায়ী করে। আপনারা মানুষের মননে মস্তিস্কে যৌন দাসত্বের শৃঙখল পড়িয়ে দিচ্ছেন, আবার সমাধানের নাম করে নারীদেরকে পুরুষদের প্রতি ক্ষেপিয়ে দিচ্ছেন, আসলে আপনারা মানুষ নন আপনারা কুলাঙ্গার। আপনারা তাগুতের অনুসারী। তাগুত আদম সন্তানের দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যান কামনা করেনা। আপনারাও করেননা।অশ্লীলতাকে শয়তান ভালোবাসে। মানুষ যখন অশ্লীলতাকে ভালোবাসতে শুরু করবে বুঝতে তখন মানুষের উপর শয়তান ভর করেছেন। এবং দিনের পর দিন শয়তানের অনুসরণের কারণে তার ভেতর থেকে আল্লাহ ভীতি উদাও হয়ে গেছে। সে পরিণত হয়েছে মানুষ থেকে মানুষরুপে শয়তানে। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন – ওহে তোমরা জাহেলী যুগের নারীদের মতো তোমাদের দেহ প্রদর্শন কইরোনা। কুরআনের অন্য এক আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন ” তোমরা জেনা / ব্যভিচারের ধারেকাছেও যেওনা, কারণ এটি হলো অশ্লিলতা, এবং অশ্লিলতা মানুষকে নিকৃষ্ট পথের শেষ সীমানায় নিয়ে যায় “। — ত রী ০৪.০৮.১৯

একই বিভাগে আরও

আরও পড়ুন

নাস্তিকের মনস্তত্ত্ব – ১

আল-কুরআন, সূরা নিসা – আয়াত ১

রক্ত ঝরছে…

বই

এই শহরে