রাক্ষসী মা
হে মাতা বহিয়া বহিয়া তুমি
মাতিয়েছ মোর ধারা
কেন তবে আজ রুপটি তোমার
হয়েছে ভীষণ কড়া।
হৃদয়ের তরে দিয়েছিল তোরে
আপন ভাবিয়া ঠাই
কেন তব আজ করিছ শুধু
রাক্ষসীর মত খাই খাই।
সোনাজাদু মোর দিয়েছি তোরে
ফেরানোর যতনে লাগি
খেয়েছিস তুই মিটিয়েছিস ক্ষুধা
হৃদয়টা করেছিস ভাগাভাগি।
নির্ভয়ে তোকে দিয়েছিলাম যারে
ফেরানোর তব লাগি
রাক্ষসীর মত খেয়েছিস তাকে
সারা দিন রাত জাগি।
একটা দুইটা খেয়েছিস তুই
যায়নি তবু ক্ষুধা
জোড়া শালিকের রক্তে বুঝি
রয়েছে ভীষণ মজা।
আমার শালিকেরা বাধেনি বাসা
তুই রাক্ষসীর লাগি
হৃদয় যে আজ দমহারানো
অশ্রু বিহীন কাঁদি।
আমার শালিকেরা শুন্য মুখে
পড়িয়া রহিয়াছে দেহ
আত্মার লগে বাধিব বাধন
এমন কি আছে কেহ।
তোর কূলের ই বালি গুলি
আজ করিছে বলা বলি
রাক্ষসী তুই ছিলি না কখনো
কেন রাক্ষসী আজ হলি।
সাদা খাটেতে জাদুরে আমার
নিয়ে যায় কবরে
বুক ফাটিয়ে বিদীর্ণ করি
ধিক্কার শত ধিক তোরে।
সোনা টা আমার হাসিয়া ওঠে নি
তোর কূলেতে গিয়ে
খেয়েছিস তুই সর্বনাশীনী
হাজারো কষ্ট দিয়ে।
হাজার মায়ের অন্তর আজ
ফাটিছে কেদে কেদে
রাক্ষসী তোর যায় নি ক্ষুধা
মাতা বলা তোকে মিছে।